Saturday, July 8, 2017

সরপুঁটি ৬

পুঁটিঃ খাওয়া শেষ হয়েছে আধ ঘণ্টা আগে, এখনো তুমি একটু এসে বসতে পারলেনা মা?
সরযূঃ দাঁড়া, কাজগুলো সেরে নিই, তারপরে বসব।
পুঁটিঃ কি কাজ? বাসন তো মেজেও দিয়ে গেল।
সরযূঃ আরে তরকারি পাতি তুলে রাখতে হবে না ফ্রিজে?
পুঁটিঃ পরে তুললে কি হয়?
সরযূঃ নষ্ট হয়ে যাবে।
পুঁটিঃ ওই করেই গেলে তুমি।
 সরযূঃ কটা বাজল? ও সোয়া দুটো বেজে গেল? একটু DD Banglaটা দে না। আজকের রান্নাটা দেখব।
পুঁটিঃ কেন একটু তারক মেহতা দেখছি, দেখিনা।
সরযূঃ আরে সারাদিন তো দেখছিস একই। আর বল এটা আগে দেখিসনি?
পুঁটিঃ হ্যাঁ দেখেছি, তাও বারবার ভালো লাগে।
সরযূঃ ঠিক আছে, আবার দেখিস। আমায় দশ মিনিট ছেড়ে দে। প্লীজ?
পুঁটিঃ ঠিক আছে। দেখো। যদিও দেখেও তো কোন লাভ হয়না। কখনো তো করোনা।
সরযূঃ Ingredients easily available হলে করব!
পুঁটিঃ আজকেই দেখি যা শেখায়, তা কর কি না। Baked fish croquetএর তো সমস্ত ingredientsই বাড়িতে আছে।
সরযূঃ এমন করছিস যেন কোনদিনও কিছু ভালো মন্দ রেঁধে খাওয়াই না। আর যতই গালভরা নাম দিক না কেন, করছে তো ওই সাবেকি মাছের চপ। যতসব।
 


(বলাই বাহুল্য যে রাত্রে কালোজিরা দিয়ে আলু পটলের পাতলা মাছের ঝোলই হয়েছিল, রোজের মত। মাঝখান থেকে পুঁটি মিস করে গেল ওর দশ মিনিট সিরিয়ালের। )

Friday, July 7, 2017

সরপুঁটি ৫

সরযূঃ পুঁটি আজ তোর ক্লাস কখন শেষ হবে?
পুঁটিঃ ওই একটা নাগাদ। Environmental Scienceএর ক্লাস শেষ হলেই ছুটি।
সরযূঃ ও এই সপ্তাহে বুঝি তোর পালা প্রক্সি দেওয়ার?
পুঁটিঃ হুম।
সরযূঃ বলছি আজ তারপরে শপিং করতে যাবি?
পুঁটিঃ আজকে? ভিড় হবে তো দোকানে।
সরযূঃ তা হবে, কিন্তু আর সময়ই বা কখন বল? তুই বলছিলি যে কুর্তি বানাবি কয়েকটা। দর্জির দোকানে কিন্তু মনে হয় এই আর সপ্তাহ খানেক অর্ডার নেবে।
পুঁটিঃ সে তো month end অবধি নেবে। এখন তো সবে mid month ও না। এত তাড়া কেন?
সরযূঃ  আরে যত দিন যাবে স্টক কমবে আর ভিড় বাড়বে। চল না প্লীজ, আমিও তাহলে আমার শপিং করতাম।
পুঁটিঃ আচ্ছা বেশ। কিন্তু বাইরে খাব তার আগে।
সরযূঃ কোথায়?
পুঁটিঃ আগে বল কোথায় যাব শপিংএ?
সরযূঃ নিউ মার্কেট? নাকি দেশপ্রিয়? বিষ্ণুপ্রিয়াতে কিন্তু ভালো মেটিরিয়াল পাবি। সেই সুবাদে গড়িয়াহাট চত্বরও covered হয়ে যাবে।
পুঁটিঃ ওকে। তাহলে দেশপ্রিয় হোক। কোথায় খাব বল?  Do you have anything in mind? নইলে আমি zomato দেখব।
সরযূঃ হাতারি?
পুঁটিঃ ওহ মা কতবার বলব ওটা হাতারি না, হাটারি!!!
সরযূঃ ওই একই হল। চল ওখানেই যাই। চাইনীজ খেলে আমার হজমের কম প্রব্লেম হবে।
পুঁটিঃ চাইনীজ খাবে তো তাহলে কিমলিতে চল। একবার স্কুলের বন্ধুদের সাথে গিয়েছিলাম, ভালোই ছিল।
সরযূঃ ওকে। তবে আমি exact locationটা জানিনা। তুই তাহলে গড়িয়াহাট মোড়ে চলে আসিস। I will meet you there. আনন্দমেলার সামনে।
পুঁটিঃ ঠিক আছে। আমি বাস পেয়ে তোমায় মেসেজ করে দেব।
সরযূঃ আচ্ছা। কটা কি কুর্তি বানাবি ভেবে রাখিস, সেই অনুযায়ী কাপড় নিতে হবে। আমিও আমার লিস্ট করে নেব।
পুঁটিঃ ওকে মা। আমি যাচ্ছি। বাই।
সরযূঃ উফফ, কতবার বলব, যাচ্ছি বলবি না। বল আসি।
পুঁটিঃ  Whatever!

সরপুঁটি ৪

পুঁটিঃ কি করছ মা?
সরযূঃ এই একটু ফেসবুকটা খুললাম। পলি বলল ওর মেয়ের কাছে বেড়াতে গিয়েছিল, সেই ছবি নাকি পাঠিয়েছে আমায়। দেখব তাই।
পুঁটিঃ ও আচ্ছা।
সরযূঃ পুঁটি দেখ তো একবার। কি করে পাব ছবি? 
পুঁটিঃ দাঁড়াও। কই তোমায় তো কোন মেসেজ করেনি।
সরযূঃ তাহলে যে বলল ফেসবুক দেখো, ছবি পাঠালাম?
পুঁটিঃ এই দেখো, পলি মাসী নিজের wallএ share করেছে। তুমি ফ্রেন্ড লিস্টে আছ, তাই দেখতে পাবে। not তোমায় privately পাঠানো।
সরযুঃ ও। অত বুঝিনা।
পুঁটিঃ তোমায় কতবার করে শেখাব বল তো? এই তো লাস্ট উইকেও বললাম। কারুর প্রোফাইলে কি করে যেতে হয়, কিভাবে লাইক কমেন্ট করে, কি করে নিজের ওয়ালে কিছু দিতে হয়। সব ভুলে যাও!
সরযূঃ আরে মনে থাকেনা। ধুর আমার একাউন্ট ডিলিট করে দে।
পুঁটিঃ প্র্যাকটিস করো, কিছু হাতি ঘোড়া না ফেসবুক। দিব্যি পারবে। জাস্ট নার্ভাস হোয়োনা।
সরযূঃ হুম। দেখি।
পুঁটিঃ এই যে দেখো, এই ছবিটা যেমন খুব সুন্দর। লাইক বা কমেন্ট করে দাও।
সরযূঃ এহ, না। পলিকে কিরকম একটা লাগছে। থাক।
পুঁটিঃ আহা দেখো সবাই কিরকম আহা উহু করেছে, তুমি করলেও মাসীর ভালোই লাগবে।
সরযূঃ থাক। তুই যা করছিস, কর।

(খানিকক্ষণ পরে)

পুঁটিঃ এ কি মা! পঞ্চাশটা নোটিফিকেশন!!!! আর সবই তোমার লাইক আর কমেন্ট।
সরযূঃ হ্যাঁ তো ভালো লাগল। ছোটবেলার ছবি তোর, কি মিষ্টি লাগছিলি। তাই লাইক  ও কমেন্ট করলাম।
পুঁটিঃ উফফ মা। ওমনি দেখো সোমদত্তা উলটে কমেন্ট করেছে। ব্যাস, এবার গোটা ব্যাচ স্টার্ট করে দেবে।
সরযূঃ তা করুক!
পুঁটিঃ নাহ। কিরকম ক্যাবলা বোকা মার্কা লাগছে আমায়। এখনের আমির সাথে খাপ খায় না।
সরযূঃ তাহলে রেখেছিস কেন? ডিলিট করে দিলেই পারতি!
পুঁটিঃ আরে অনেক আগে দেওয়া। সবাই ভুলেও গিয়েছিল, including আমি। তুমি টেনে আনলে মহেঞ্জোদারো থেকে!!!
সরযূঃ তো ভালোই তো, দেখই না কোন archaeologistএর পছন্দ হয় কি না! By the way, Hemang Patelটি কে? সব ছবিতেই একেবারে heartএর বন্যা বইয়ে দিয়েছে দেখছি ইদানীং!!
পুঁটিঃ He is a classmate.
সরযূঃ ও। পাটেল। গুজরাতি। ডান্ডিয়া। এইবারে বুঝলাম!
পুঁটিঃ মা!!!!!!! 

সরপুঁটি ৩


সরযূঃ পুঁটি আকাশের অবস্থা ভালো না, ছাতা নিয়ে বেরো বলছি।
পুঁটিঃ হুম ঠিক আছে, দেখছি।
সরযূঃ দেখছি আবার কি? ভিজে তারপরে জ্বর বাধাবি নাকি?
পুঁটিঃ আরে আজ ব্যাগ খুব ভারী। পিঠে ব্যাথা হয়ে যাবে।
সরযূঃ হাতে করে নিয়ে যাও।
পুঁটিঃ দেখছি।

সরযূঃ সেই নিয়ে গেল না। উফফ। মেয়েটাকে নিয়ে পারা যায় না আর।




SMS:
সরযূঃ পুঁটি খুব জোর বৃষ্টি আসছে মা, ছাতা নিয়ে যাসনি। আজ আর ক্লাস করতে হবেনা। চলে আয়।
পুঁটিঃ মা প্র্যাক্টিকাল আছে অনার্সের, কি করে বাঙ্ক করব?
সরযূঃ কিচ্ছু বলার নেই।
পুঁটিঃ তুমি কাজ করো, এত ভাবতে হবেনা। বাই। ক্লাসে আছি। Talk to you later.




সরযূঃ পইপই করে বললাম ছাতা নিয়ে বেরো, নিয়ে গেলিনা। আগে আসতে বললাম, এলি না। আমার কথার যেন কোন দাম নেই। এরপর ঠাণ্ডা লেগে বুকে কফ জমলে কে দেখবে? যত ঝামেলা তো আমাকেই পোহাতে হবে।
পুঁটিঃ সরি মা। শীত করছে। একটু প্লীজ কফি করে দাও, স্ট্রং বানিয়ো।
সরযূঃ যা আগে ভালো করে গরম জলে স্নান করে হাত পা মাথা শুকনো করে মোছ। Geyser চালিয়ে রেখেছি।
পুঁটিঃ আসছি মা।
সরযূঃ নে তোর স্ট্রং কফি। খেয়ে বল আর কফি add করতে হবে কিনা। বেগুনী দিয়ে শুরু কর, আমি পেঁয়াজি গুলো ভেজে আনছি।
পুঁটিঃ মা you are the best! Thank you. তুমিও এসো, একসাথে খাওয়া যাবে।

Thursday, July 6, 2017

সরপুঁটি ২

পুঁ: Ma what was that???
স: কেন কি করলাম?
পুঁ: কি করোনি সেটা বল! এই একটা প্রোগ্রাম শিডিউল হল??
স: পঞ্চমীতে আনন্দমেলা, ষষ্ঠীতে উদ্বোধনী। সপ্তমী টু নবমী সাংস্কৃতিক। এর চেয়ে বেশী কি হবে?
পুঁ: মা where' the DJ? Where's the Dandiya???
স: DJ Dandiya দুর্গাপুজোয় কেন হবে? শোন, আমরা বাঙালী, কালচারে নেই ওসব।
পুঁ: But মা, আমার কলেজের বন্ধুরা অবাঙালি। ওরা এত excited পুজো নিয়ে। ওরা কি দেখবে এসে? এরকম একটা bland lifeless programme!! কোন নাচগান নেই কিছুনা।
স: গান নেই? এত আর্টিস্ট আছে তালিকায়, তাদের গানে গলা মেলাও। ব্যান্ড আছে, নাচ। আর শোন পুঁটি, ওরা পুজো দেখতে চায়, পুজো দেখা। বাঙালী অনুষ্ঠানে গুজরাটি নাচ কেন হবে? অদ্ভুত বোকাবোকা expectation তোর।
পুঁ: ওই তো যত performers, কিশোরকণ্ঠী লতাকণ্ঠী। আর ব্যান্ড, হাসালে!!!
স: যা বাজেট, এতে এর বেশী হবেনা। This is not some politician's patronised পুজো। পছন্দ হলে থাকবে, নইলে না। ছোট থেকে বড় হলে এই পুজোয়, প্রথম স্টেজ শো এখানে আর দুই মাস কলেজ যেতে না যেতেই যত পাখনা। This is very uncool পুঁটি।
পুঁ: এরকমভাবে react করছ কেন? I'm not criticising you and the Pujo. All I am saying is কি একটু modern হও।
স: Modern হওয়া মানে নিজের ঐতিহ্য ভোলা না। যেই ডাণ্ডিয়া ডাণ্ডিয়া করে লাফাচ্ছ, গুজরাটিরা কি তোমার কথামত modern হয়ে ধুনুচি নাচ করছে? Be proud of your roots পুঁটি। কিছু কিছু ব্যাপারে সাবেকিয়ানা বেশী মানায়। বেহালার ঠাকুর আর কসবার ঠাকুর কে কি হল, hardly a month মনে থাকে। কিন্তু বাগবাজারের ডাকের সাজ, that is the epitome of ভক্তি। অনেকগুলো কথা বললাম, এবার যা পারো কর। সামনেরবার থেকে না হয় young brigade পাড়ার পুজোটা সামলিও। We will gladly hand over the reins.

Wednesday, July 5, 2017

সরপুঁটি ১



পুঁটিঃ Ma do you mind giving me the cold shoulder please?
সরযুঃ cold shoulder? কেন রে? তোকে হঠাৎ cold shoulder দিতে যাব কেন?
পুঁটিঃ আরে আমি চাইছি বলে!
সরযুঃ খামোখা চাইছিসই বা কেন?
পুঁটিঃ আরে দরকার, তাই।
সরযুঃ আহা তোর সাথে কি আমার কোন ঝগড়া হয়েছে বল?
পুঁটিঃ ঝগড়া কোত্থেকে এলো মা?
সরযুঃ তা মন কষাকষি না হলে বেমক্কা cold shoulderএর প্রশ্ন আসছে কেন? কেন মা হয়ে তোকে আমি কথা নেই বার্তা নেই cold shoulder দিতে যাব?
পুঁটিঃ উফফ মা! cold shoulder is the top that I bought last week. তাকিয়ে দেখো, তোমার পাশে রয়েছে বিছানায়। ওটা দিতে বলছি তো তখন থেকে।
সরযুঃ বললেই হল? এখন কথা ঘোরাচ্ছিস কেন? আমি english এ MA, বুঝেছ? আমায় idioms শেখাতে এসো না।
পুঁটিঃ আরে বাবা। নিজের নামের মত নিজের backdated চিন্তাধারাটা পালটাও তো। Cold shoulder একটা নতুন স্টাইল, যেমন bell-bots, তেমন। তোমার এই প্রাচীন চিন্তাধারার জন্য nickname ও দিয়েছও কেমন দেখো... পুঁটি। নিজেও দেখো নিজের নামঃ স-র-যু।। উফফ। Disgusting!
সরযুঃ এইটে? আমি তো ভাবলাম বুঝি হাতের কাছে সেলাই খুলে গিয়েছে, আমায় মেশিনে সেলাই করে দিতে রেখেছিস বের করে। এও আবার স্টাইল?? তা হাত কাটা জামা পড়লেই হল! এরকম hybrid পদার্থের কি দরকার?
পুঁটিঃ মা আসলে আমার তো killer eyes এর জায়গায় pillar arms, তাই পুরো sleeveless পড়তে সাহস পাইনা। hence, the cold shoulder.
সরযুঃ কত কি যে দেখতে হবে। বাবা রে। আর হ্যাঁ, আমার নাম নিয়ে কি বললি রে? backdated?? আমার নাম সা-রা-য়ু। আর তুমি কিনা ছোট থেকে পুঁটি মাছ ছাড়া খেতে না, তাই তোমার এমন ডাকনাম। বুঝেছ? ভারী এসছে আমার modern মেয়ে। হুহ!

Tuesday, July 4, 2017

আজ গল্প লিখছিনা। কয়েকদিন ধরে একটি বই পড়ছি। প্রতিভা রায়ের লেখা, প্রদীপ ভট্টাচার্যের অনুবাদঃ "যাজ্ঞসেনী"। সেটি পড়ে কিছু কথা মনে হল। সেটিই বলি।
রামায়ণে দেখি শ্রীরামচন্দ্র তার প্রাণপ্রিয়া স্ত্রী (ছোটবেলায়, মাধ্যমিকেই বোধহয়, সিলেবাসে একটা কবিতা ছিল, 'রামের বিলাপ', সেখানে তো ওনার "সীতা বিনা আমি যেন মণিহারা ফণী " প্রচণ্ড বিখ্যাত লাইন ছিল। ছেলেপুলেরা রামচন্দ্রকে রীতিমতো idolise করত পত্নী প্রেমের জন্য) কে প্রথমত অগ্নিপরীক্ষা দেওয়ান। তারপরে উনি সেই পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও রাজ্যবাসীর কথা ভেবেচিন্তে বনবাসে পাঠান গর্ভবতী অবস্থায়। প্রশ্ন হল, কেন অগ্নিপরীক্ষা দেওয়াবেন??
মহাভারতে দেখি কুন্তী তার পুত্রদের বললেন পাঞ্চালীকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে। পাণ্ডবদের কাছে মাতৃ আজ্ঞাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল। তখন ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের ন্যায়, অর্জুনের পত্নীপ্রেম সব কোথায় ছিল? তারপরে মহাপ্রস্থানের পথে যখন দ্রৌপদী প্রথম থেমে গেলেন, বা বলা যায় পড়েই গেলেন, তখন তো পাঁচ স্বামীর কেউ এগিয়ে এলেন না। উল্টে কুরুক্ষেত্রর যুদ্ধে এত যে প্রাণ গেল, সেই যুদ্ধের জন্যও দায়ী করা হল তাঁকে। কি করে এটাকে justify করা হবে? কই যখন ভরা রাজসভায় বস্ত্রহরণ হল, একটা কেউ তো টু শব্দটি করেনি!
আসলে আমাদের তথাকথিত epicগুলিতে কিছু কিছু এমন ঘটনা রয়ে গিয়েছে যা যুগে যুগে মানুষ নিজের সুবিধার্থে interpret করেছে। আমার তো মনে হয় ঘটনাগুলি এই জন্যই দেওয়া যাতে লোকে বোঝে যে জিনিসগুলি অন্যায়। তা না, লোকে নারী নির্যাতন করে এবং তারপরে দোহাই দেয় যে রামায়ণ মহাভারতে যা আছে, তাই করছি।
সত্যি, কি বিচিত্র চিন্তাধারা।